Datasets:

Modalities:
Text
Formats:
parquet
Languages:
Bengali
ArXiv:
Libraries:
Datasets
Dask
License:
Dataset Viewer
Auto-converted to Parquet Duplicate
text
stringlengths
1
58.1k
label
int64
0
12
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে স্থানীয় এমপির সাথে ত্রাণ দিতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির আহমেদ খান রুজেলের (৩৬)। তিনি রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। পরে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুপুরে পৌনে ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুজেলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর নিশ্চিত করেছেন এমপি অসীম কুমার উকিল। তিনি জানান, ছেলেটি হার্ট এটাক হয়ে অকালে মৃত্যু বরণ করেছে। আমি এখনো বন্যায় দুর্গতদের মাঝে আটপাড়া উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ করছি। আমাদের সকলের বড় ক্ষতি হয়ে গেল বলে উল্লেখ করে তিনি শোক প্রকাশ করেছেন। দলীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা ৬টায় কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রুজেল উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত মানিক মিয়ার ছেলে এবং আওয়ামী লীগ নেতা পাবেল আহমেদ খানের ছোট ভাই। তাকে দেখতে হাসপাতাল ও বাট্টা গ্রামের বাড়িতে ছুটে যান বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিলসহ আরো অনেকেই। বিডি-প্রতিদিন/শফিক
6
ফেনীতে ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত সরকারী তিতুমীর কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র আবু জাফর, অনার্স ভর্তিচ্ছুক সালাহ উদ্দীন, ফালাহিয়া মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্র হাফেজ দাউদুল ইসলাম ও একই মাদ্রাসার আলিম ১ম বর্ষের ছাত্র ছাইদুল হক, ইসলামের সন্ধান দাবী করে বিবৃতি প্রদান করেছে তাদের পরিবার। বিবৃতিতে গ্রেপ্তারকৃতদের অভিভাবকরা বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় হাবিব সুলতান জামে মসজিদের পাশে মনোয়ারা ভবন থেকে ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। কিন্তু তিন দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করছে না আদালতেও হাজির করছে না। আমরা বার বার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার কাছে শরনাপন্ন হলেও আমাদের সন্তানরা কোথায় আছে কি অবস্থায় আছে তা বলছে না। কিন্তু আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি আমাদের সন্তানদের ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে। অভিভাবকরা বলেন, আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা দাবি করছি। তাদেরকে আটক বা গ্রেফতারের কথা অস্বীকার ও আইন অনুযায়ী আদালতে হাজির না করায় আমরা আমাদের সন্তানদের ব্যাপারে গভীরভাবে উদ্বীগ্ন হয়ে পড়েছি। আমাদের জানামতে আমাদের ছেলেরা কোন অপরাধের সাথে জড়িত নয়। তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুতরাং আইনশৃঙ্খলা বাহীনির কাছে আমাদের আবেদন তাদেরকে যেন আইন অনুযায়ী দ্রুত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। দেশের অন্য সকল নাগরীকের মত আইনের আশ্রয় নেয়ার অধিকার আমাদেরও আছে। কোন কারণে যেন তাদেরকে সরকারের অত্যাচারের মুখে পড়তে না হয়। আমরা এখন সন্তানদের জীবন নিয়ে শঙ্কিত। আমরা জাতীয় মানবাধিকার সংস্থাসহ দেশি বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কাছে আমাদের সন্তানদের আইনের আশ্রয় পাবার অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি। আমাদের ছেলেদের জান মালের কোন ক্ষতি হলে তার দায়ভার সরকার ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেই নিতে হবে। আমরা এদেশের নাগরীক। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সকল আইনি সুবিধা গ্রহণ করার অধিকার আমাদের আছে। কিন্তু এখানে আইনি অধিকার থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা দাবি করছি। একই সাথে তারা সন্তানদের সন্ধানের জন্য সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। বিজ্ঞপ্তি
6
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নাম পাঠানোর আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, টাকা খেয়ে খারাপ লোকের নাম কেন্দ্রে পাঠাবেন না। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নাম পাঠাবেন। আজ সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে প্রয়াত সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের স্মরণ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ আহবান জানান। জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য রাজনীতি করতে হবে, নিজের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকেই ক্ষমতা পেয়ে বেপরোয়া হয়ে যায়, যা মোটেই কাম্য নয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না । রাজনীতিতে ভালো মানুষদের সাথে রাখার নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খারাপ মানুষ দিয়ে রাজনীতি করলে দল নষ্ট হয়ে যাবে। দুঃসময়ে বসন্তের কোকিলরা দলে থাকবে না, ত্যাগীরাই সুখে-দুঃখে দলের পাশে থাকবে। তাই সৎ ও ভালো মানুষদের দলে টানতে হবে। '৭৫ এর পর দেশে যে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়েছিলো তার এখনো রেশ রয়ে গেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭৫'র হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত ছিলো? নেপথ্যে কে ছিলো? সেই ইতিহাস সবাই জানে, যা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। ওবায়দুল কাদের প্রয়াত হাসিবুর রহমান স্বপনকে একজন সফল রাজনীতিবিদ আখ্যায়িত করে বলেন, একজন নির্লোভ নিরহংকার নেতা ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন স্বপন। তার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানান মন্ত্রী। শাহজাদপুর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত শোক সভায় সাবেক সংসদ সদস্য চয়ন ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম তালুকদার এবং সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয়, ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, ডা. আবদুল আজিজ, তানভীর ইমাম, আবদুল মমিন মন্ডল, ও শাহজাদপুর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। সূত্র : বাসস
9
সাগর মোহনায় এসে আছড়ে পড়ছে ছোট ছোট ঢেউ। মাথার ওপরে খোলা আকাশ। মোহনায় ছোট-বড় মাছের ট্রলারের সারি। এসবের ফাঁকে দেখা মিলছে দুইটি ভাসমান দোকানের। যেখানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসহ ভেসে ভেসে চলে কেনাবেচার কারবার। সাগর মোহনায় ভাসমান এই দোকানে প্রতিদিন বিক্রি হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। প্রতি মাসে বিক্রি হচ্ছে ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। বিক্রি করতে পেরে দোকানি যেমন খুশি, জেলেরা এই ভাসমান দোকান পেয়ে তারাও অনেক খুশি।উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে জেগে ওঠা সোনারচর ও কলাগাছিয়া চরের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাগরের মোহনায় ভেসে চলে দুটি দোকান। দিনের আলো শেষ হলেই ধীরে ধীরে দোকানের কোল ঘেঁষে প্রতিদিন নোঙর করে ১০০ টির মতো জেলেদের মাছের ট্রলার। কারণ মূলত জেলেরাই এই দোকানের মূল ক্রেতা। ক্রেতার সঙ্গে যেন রয়েছে দোকানির এক মধুর সম্পর্ক।সাগর মোহনায় ভাসমান দোকান দুটি দূর থেকে বোঝার উপায় নেই। মনে হবে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার মাত্র। কিন্তু কাছে গিয়ে ট্রলারের ভেতরে ঢুকলে চোখে পরবে ভিন্ন চিত্র। নিত্য প্রয়োজনীয়, প্রায় সবকিছুই আছে সেই দোকানে।গতকাল ট্রলারযোগে সোনারচর ভ্রমণে যাওয়ার পথেই হঠাৎ চোখে পড়ে একটি ভাসমান দোকান। অপর দিকে তাকিয়ে দেখা মেলে আরও একটি ভাসমান দোকানের। এ সময় দেখা যায়, জেলেদের একটি ট্রলার নোঙর করে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছে ভাসমান দোকান থেকে।জেলেরা জানায়, সাগর মোহনায় জেলেদের সুবিধার্থে জিয়া ফরাজী নামের এক ব্যবসায়ী প্রায় তিন বছর আগে ভাসমান দোকানের কার্যক্রম শুরু করে। তার দেখাদেখি পরের বছরই আরও একটি ভাসমান দোকানের কার্যক্রম শুরু হয়। এই দোকানের ক্রেতা শুধু ওখানে থাকা জেলেরাই নয়, প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি, সৌন্দর্যে ঘেরা সোনারচর সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা প্রকৃতি প্রেমিরাও আসেন এখানে। ভাসমান দোকানে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ তেল, গ্যাস, বিকাশ ফ্লেক্সিলোড, শুকনো খাবার থেকে শুরু করে মোটামুটি জেলেদের এবং পর্যটকদের চাহিদা পূরণ করার সবকিছুই রয়েছে সেখানে। আছে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রও।ভাসমান দোকানের ক্রেতা জেলে মিরাজ সরদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, 'সাগরে মাছ ধরতে গেলে এলাকা দিয়া সাত দিনের বাজার লইয়া যাই। মাঝে মাঝে হঠাৎ তৈল, সদায়, গ্যাস শ্যাষ (শেষ) হইয়া যায়। তহন (তখন) মোরা (আমরা) এই দোকানে আইয়া যা লাগে লইয়া যাই। অসুস্থ হইলে ওষুধ ও নি। এই দোকান দেওয়ায় আমাগো (আমাদের) অনেক ভালো হইছে।'কথা হয় সোনারচর ঘুরতে আসা পর্যটক দোলন কুমারের সঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা পটুয়াখালী সদর থেকে বন্ধুরা মিলে সোনারচর ঘুরতে এসেছি। আসার পথে সাগর মোহনায় এই দোকান দেখে রীতিমত আমি অবাক। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভাসমান দোকানে নেই এমন কোনো জিনিস।'ভাসমান দোকানের দোকানি (কর্মচারী) নেছার উদ্দিন বলেন, 'আমাদের বেচাকেনা মোটামুটি ভালোই হয়। তবে সকালে এবং বিকেলে বেশি বেচাকেনা হয়। আমরা এখানে তিন বছর যাবত ব্যবসা করি। আমরা এই সিজন ছাড়া দোকান করিনা। আমাগো দোকানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিক্রি হয়। মাসে ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা বিক্রি হয়।ভেসে চলা এই ভিন্নধর্মী দোকানের উদ্যোক্তা জিয়া ফরাজী বলেন, 'সাগরে জেলেরা মাছ ধরতে আসার পর অনেক জেলেদেরই তেল এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ফুরিয়ে যায়। তখন তারা বিপাকে পড়ে যায়। এত দূর থেকে তাদের গিয়ে তা ক্রয় করা সম্ভব না তাদের এই দুর্ভোগের কথা চিন্তা করেই আমি এই উদ্যোগ নেই।'
6
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু রিফানুল ইসলাম ওরফেরিফান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। অর্ধলগিত লাশ উদ্ধারের তিনদিনের মধ্যেআলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশের সদস্যরা। রিফান ওই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. শরীফুল ইসলামের ছেলে এবং বৈদ্যনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্র। গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল (২২) একই গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ওমরকান্দা ব্রিজ এলাকায় পুরোনো মেঘনা নদী থেকে ওই শিশুর অর্ধলগিত মরদেহ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। এর দশদিন আগে গত ১২ জানুয়ারি বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়েছিলো শিশুটি। সোমবার রাতে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার রসুলপুর এলাকা থেকে ঘাতক শাকিলকে গ্রেপ্তার করে মেঘনা থানা পুলিশ। এরপর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শাকিল পুরো হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুলিশকে জানায়। পুলিশ সূত্র জানায়, সেদিন শিশুটির দুষ্টুমিতে বিরক্ত হয়ে তার মুখে ইট ছুড়ে মারে শাকিল। এতেই মৃত্যু হয় শিশুটির। হত্যার পর সে শিশুটির লাশ একটি বস্তায় ভরে। এরপর লাশটি লুকিয়ে রাখে ওই গ্রামেই থাকা তাদের একটি অটোরিকশার গ্যারেজে। সেখানে ৭/৮ দিন রাখার পর লাশটি থেকে যখন দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে তখন সেটি নিয়ে ফেলে দেয় নদীতে। মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ বলেন, মামলাটি ছিলো একেবারেই ক্লু-লেস। এরপরও আমাদের সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল করিমের নেতৃত্বে আমরা হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে নিরবিচ্ছিন্ন তদন্ত শুরু করি। তদন্তে প্রযুক্তির সহায়তাও নেওয়া হয়। সর্বশেষ আমরা খুনিকে শনাক্ত এবং গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।
6
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে প্রভাবে স্থবির হয়ে গেছে সব কিছু। ঘরবন্দি মানুষের জন্য এই সময়ে প্রতিদিন রাত সাড়ে ১০টায় ফেসবুক লাইভ আড্ডার আয়োজন করেছে থিয়েটার পত্রিকা ক্ষ্যাপা। ইতোমধ্যে লাইভ আড্ডায় গান, আবৃত্তি, পাঠ অভিনয় করেছেন সামিউন জাহান দোলা, হুমায়ূন আজম রেওয়াজ, নুশিন আদিবা ও শিশির রহমান। সরকারি নির্দেশনা মেনে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় এবার চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণের আয়োজন করেছে ক্ষ্যাপা। সোমবার চৈত্রসংক্রান্তির আয়োজনে রয়েছে ধারাবাহিক তিনটি ফেসবুক লাইভ সম্প্রচার। বিকেল ৪টায় পাপেট শো পরিবেশন করবে শিশুশিল্পী শ্রেয়ান, সন্ধ্যা ৭টায় আশরাফুল হাসান বাবু ও কাজী বুশরা আহমেদ তিথির আবৃত্তি এবং রাত সাড়ে ১০টায় গান-আড্ডায় উপস্থিত থাকবেন সংগীত ও নাট্যশিল্পী চেতনা রহমান ভাষা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে রয়েছে ধারাবাহিক ৫টি লাইভ সম্প্রচার। সকাল ৯টায় কলকাতার জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী ও উপস্থাপিকা রিনি বিশ্বাস উপস্থিত থাকবেন আবৃত্তি ও আড্ডায়। বেলা ১২টায় পাপেট শো পরিবেশন করবে শিশুশিল্পী চন্দ্রবিন্দু তোতা ও তার আবোলতাবোল পাপেট থিয়েটার, বিকেল ৪টায় আবৃত্তি ও আড্ডায় অংশ নেবেন নন্দিত আবৃত্তি শিল্পী হাসান আরিফ, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপস্থিত থাকবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদার এবং সবশেষে রাত ১১টায় উপস্থিত থাকবেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ ও শিমুল ইউসুফ। এই আড্ডাবাজিতে অংশ নিয়ে ইচ্ছামতো আর্থিক সহযোগিতা করতে পারেন ০১৭১৭৩৮৬৬৪৬ এই বিকাশ নম্বরে (ব্যক্তিগত)। এই টাকা দেয়া হবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষদের হাতে। ক্ষ্যাপার ফেসবুক লাইভ সম্প্রচারের দায়িত্বে রয়েছেন পাভেল রহমান, অপু মেহেদী, প্রসেনজিত রায়, মাহফুজ সুমন, শাহনাজ জাহান ও শাকিল মাহমুদ।
2
মুম্বাই বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন দীপিকা। সেখানে নিয়ম অনুযায়ী নিরাপত্তারক্ষীর অনুরোধে মাস্ক খুলে নিজের পরিচয় দেন তিনি। এত বড় বলি-তারকা হওয়া সত্বেও দীপিকার এই নম্র ব্যবহার মন জয় করেছে নেটিজেনদের। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের। শনিবার সকালে বেঙ্গালুরু উড়ে গেছেন দীপিকা পাড়ুকোন।এদিন সাতসকালেই জন্য বাড়ি থেকে মুম্বই বিমানবন্দরের টার্মিনালের সামনে গাড়ি থেকে নামতেই তাকে ঘিরে শোরগোল শুরু হয় পাপারাৎজিদের মধ্যে। ব্যস্ততা থাকলেও তাঁদের নিরাশ করেননি 'মাস্তানি'। মুখে মাস্ক পরা অবস্থাতেই কোভিড দুরুত্ব মেনে তাদের ক্যামেরার সামনে পোজও দেন পিকু। ঘন ঘন হাত নাড়িয়ে অভিবাদনও জানান। ঢিলেঢোলা পোশাকের সঙ্গে বেজ রঙের ওভারকোট পরে ক্যাজুয়াল অবতারেই বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন 'পিকু'। এরপর পাপারাৎজিদের আবদার মিটিয়ে বিমানবন্দরের টার্মিনালে ঢুকতে যাবেন, এমন সময় নিয়ম অনুযায়ী সেখানকার দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তারক্ষী মাস্ক সরিয়ে দীপিকাকে তাঁর মুখ দেখানোর অনুরোধ জানান। বিমানবন্দরের নিয়ম অনুযায়ী। অথচ তার চোখে সামনেই তখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে পাপারাৎজিদের দল, যাঁদের ক্যামেরার লেন্সের সামনে থেকে সদ্য হেঁটে এসেছেন বলি-তারকা। তবে একমুহূর্তের জন্যও কোনও রাগ অথবা নাটক না জুড়ে সঙ্গে সঙ্গে মুখের মাস্ক খুলে নিরাপত্তিরক্ষীকে তাঁর মুখ দেখান 'বলি-ক্যুইন'। এরপর সেই আধিকারিক অনুমতি দিলে বিমানবন্দরের টার্মিনালের দিকে পা বাড়ান বলি-নায়িকা। গোটা ঘটনার ভিডিওটি সামনে আসতেই হু হু করে ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে। নেটিজেনরা মুগ্ধ তাঁদের প্রিয় নায়িকার এই নম্র ব্যবহারে। প্রচুর নেট নাগরিকও দীপিকার এই ভদ্র ব্যবহারের অকুন্ঠ তারিফ করেছেন। প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। এত বড় বলি-তারকা হওয়া সত্বেও একাধিক জায়গায় বিভিন্ন পেশার সঙ্গে জড়িত মানুষদের প্রতি দীপিকার ভদ্র ব্যবহারের ছবি কিংবা খবর উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে।
2
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির দুটি বিভাগ ও একটি ইনস্টিটিউটে ১০ জন প্রভাষক ও একজন সহকারী অধ্যাপক নেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিপদ ও সংখ্যা: সহকারী অধ্যাপক একজন এবং প্রভাষক দুইজন (অস্থায়ী)ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগপদ ও সংখ্যা: প্রভাষক দুইজন (স্থায়ী)পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগপদ ও সংখ্যা: প্রভাষক তিনজন (স্থায়ী) এবং অস্থায়ী তিনজন প্রভাষক সহকারী অধ্যাপক: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকাপ্রভাষক: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা সহকারী অধ্যাপক: এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম বিভাগ/গ্রেডিং পদ্ধতিতে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ৪.২৫। ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি এবং গ্রেডিং পদ্ধতিতে জিপিএ ৪-এর স্কেলে ৩.৬০ থাকতে হবে। পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে এবং কমপক্ষে চার বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা। প্রভাষক: এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম বিভাগ/গ্রেডিং পদ্ধতিতে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ৪.২৫। ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি/ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৪-এর স্কেলে ৩.৬০ থাকতে হবে। পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগে প্রভাষক পদে আবেদনকারীদের এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম বিভাগ/গ্রেডিং পদ্ধতিতে জিপিএ ৫-এর স্কেলে ৪.২৫। পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস/পরিসংখ্যান/নৃবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। উভয় পরীক্ষায় জিপিএ ৪-এর স্কেলে ৩.৬০ থাকতে হবে। প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম পাওয়া যাবে এ ঠিকানায় ://...। আবেদনের শেষ তারিখ: ২৬ অক্টোবর ২০২১।
1
সদর উপজেলার তুলাসার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ১২টি ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় লতাবাগ ও উপরগাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।অভিযোগ উঠেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী জামাল হোসাইনের সমর্থক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ টিপুর সমর্থকেরা লতাবাগ ও উপরগাঁও গ্রামে এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতি ও শুক্রবারে গুড়িপাড়া, বাইশরশি ও দক্ষিণ গোয়ালদি গ্রামে হামলা করে ৫০টি ঘর ভাঙচুর করা হয়। পুনরায় হামলার ভয়ে গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে আছেন। হামলার ভয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদুল ইসলামের অনেক সমর্থক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।স্থানীয়রা জানান, শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউপিতে গত ১১ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসাইন। আর মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জামাল হোসাইন জয় লাভ করেন। নির্বাচনে জামাল হোসেনকে সমর্থন করেন ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ টিপু।ভোটে জয়ের পর গত শনিবার সন্ধ্যায় মাহাবুব মোর্শেদ ও জামাল হোসাইনের সমর্থকেরা তুলাসারের লতারবাগ ও উপরগাঁও গ্রামে হামলা করেন। গ্রাম দুটির ১২টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। যাদের বাড়িতে হামলা করা হয়ে তাঁরা সকলে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদুল ইসলামের সমর্থক। এর আগে বৃহস্পতিবার নির্বাচনের দিন সকালে উপরগাঁও গ্রামে ১০টি ঘর ভাঙচুর করা হয়। নির্বাচনের পরের দিন শুক্রবার গুড়িপাড়া, বাইশরশি ও দক্ষিণ গোয়ালদি গ্রামে ৪০টি বসতঘর ভাঙচুর-লুটপাট করা হয়।স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'নির্বাচনের আগ থেকেই আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করা হয়েছে। নির্বাচনে জয়ের পর এখন বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি মিলে হামলা করে এখন আমার সমর্থকদের এলাকা ছাড়া করছে। তাদের ভয়ে পাঁচটি গ্রামের মানুষ আতঙ্কিত, পুরুষেরা এলাকা ছাড়া। কেউ মামলা করারও সাহস পাচ্ছে না।'জানতে চাইলে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোর্শেদ টিপু বলেন, 'আমার সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে। এ কারণে অনেকেই তাঁর পক্ষে কাজ করছেন। জাহিদুলের সমর্থকেরা আগে যাঁদের মারধর ও হামলা করেছেন, তাঁরা এখন সুযোগ পেয়ে হামলা করছেন।'তুলাসার ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জামাল হোসাইন বলেন, 'আমার কোনো সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা করছেন না। যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে তা নিজেদের পারিবারিক ও এলাকার ঝামেলা। এর মধ্যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।'শরীয়তপুরের পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, 'তুলাসারে বাড়িঘর ভাঙচুরের খবর পেয়েছি। সব পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। আর যাঁদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে, তাঁদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ না পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেব কীভাবে?'
6
যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি মানুষ। পানির তোড়ে কোথাও কোথাও ভেঙে গেছে বাঁধ। ভেসে গেছে রাস্তা, ফসলসহ হাজারও একর আবাদী জমি। সব মিলিয়ে মানববেতর জীবনযাপন করছে বানভাসি মানুষ। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর : ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় শুক্রবার গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। করতোয়ার পানি বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অপরদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। ফলে গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জ এবং সদর উপজেলার ৮০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গোবিন্দগঞ্জে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৫টি ওয়ার্ডে ঢুকে পড়েছে বানের পানি। এ ছাড়া সাদুল্লাপুরের ছয়টি, সুন্দরগঞ্জের দু'টি, সদরের পাঁচটি এবং পলাশবাড়ী উপজেলার একটি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। ডুবে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ভায়া ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। প্লাবিত হয়েছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেপ। উপজেলা পরিষদ চত্বরেও পানি উঠেছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ গাইবান্ধার উপ-পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় জেলায় ১৩ হাজার ১৫ হেক্টর জমির আমন, মাসকলাই এবং শাক-সবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১০৮ মেট্রিক টন চাল, শিশুখাদ্যসহ নগদ আড়াই লাখ টাকা এবং ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। এদিকে, ভারী বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে রংপুরের মিঠাপুকুরে ঘাঘট ও যমুনেশ্বরী নদী তীরবর্তী গ্রামে বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি। পানির তোড়ে কালভার্ট ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে শতাধিক বসতঘর। ভারি বর্ষণে ভেঙে পড়েছে ২ শতাধিক মাটির ঘর। এ ছাড়া ৩ হাজার ৭০০ হেক্টর আমনক্ষেত এবং ৪০০ হেক্টর সবজি পানিতে ডুবে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সরেজমিন উপজেলার পূর্ব এলাকায় ঘাঘট নদ তীরবর্তী মির্জাপুর, বালারহাট, ভাংনী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে পানিবন্দি মানুষের দুর্দশার চিত্র। স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষে এসব এলাকায় শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত আছে। গোপীপুর এলাকার কুতুবুজ্জামান চৌধুরী হিরণ বলেন, এবারের মতো বন্যা আর দেখা যায়নি। উঁচু এলাকাতেও পানি উঠেছে। বসতবাড়িতে বুক সমান পানি। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ইউএনও মামুন ভুঁইয়া বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সিরাজগঞ্জে পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টায় যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধ এলাকায় বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর উপজেলা পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। অন্যদিকে ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে গতকাল করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ দশমিক ৪৩ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। এ ছাড়া পদ্মার পানি বেড়ে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
6
১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার কারণে করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বাসিন্দারা। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে বিরাজ করছে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা। করোনা প্রতিরোধে মেডিকেল সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের দাবি জানাচ্ছেন তারা। তবে প্রশাসন বলছে, ঝুঁকি থাকলেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর প্রতি সজাগ দৃষ্টি রয়েছে তাদের। ইতোমধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি করতে ক্যাম্প ইনচার্জসহ কর্মরত সংস্থাগুলোর প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ দিকে টেকনাফ স্থলবন্দরে গঠন করা হয়েছে মেডিকেল টিম ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তৈরি করা হয়েছে আইসোলেশন কর্নার। সম্প্রতি ইতালি ফেরত ৩ বাংলাদেশির শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর সারাদেশে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। কক্সবাজারেই রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী ক্যাম্প, যেখানে গাদাগাদি করে বসবাস করছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। জেলার উখিয়া ও টেকনাফ এ দুই উপজেলার ৩৪টি শিবিরে দুই বছরের বেশি সময় ধরে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। তাদের একটি অংশ গোপনে মিয়ানমারে যাতায়াত করে থাকে। মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের সীমান্ত থাকায় করোনা ভাইরাস বহন করে নিয়ে আসার আশঙ্কা রয়েছে। তবে চীন করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল হলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমারে এ ভাইরাস আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া উখিয়া ও টেকনাফে বিভিন্ন দেশের নারী-পুরুষ রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করতে এসে চলাচল করছে অবাধে। সব মিলিয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে স্থানীয় অধিবাসীরা। তাই উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে তাদের মাঝে। হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের ছৈয়দুর রহমানের ছেলে রশিদ উল্লাহ ও উনচিপ্রাং ক্যাম্পের মতিউর রহমানের ছেলে দিলদার হোসেন বলেন, আমাদের অনেকেই ক্যাম্পের বাইরে যাতায়াত করে থাকে। যদি তারা ভাইরাস বহন করে নিয়ে আসে তাহলে সংক্রমণ ঠেকানো যাবে না। এ ছাড়া কোনো মেডিকেল টিম এ ভাইরাসের প্রচার ও প্রচারণা নিয়ে কাজ করছে না বলে জানান তারা। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, রোহিঙ্গারা গোপনে বা কৌশলে মিয়ানমারে যাতায়াত করে থাকে। আবার মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের গভীর সম্পর্ক। যার কারণে এ ভাইরাস রোহিঙ্গারা বহন করে নিয়ে এলে তাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের মাঝে ভয়াবহতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের অনেকেই এ অঞ্চলে দিনমজুরের কাজ করে থাকে। যার কারণে ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ ঝুঁকি কমাতে হলে রোহিঙ্গাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত মেডিকেল টিম গঠনের দাবি জানান তিনি। এদিকে করোনা প্রতিরোধে টেকনাফ স্থলবন্দরে ডা. শুভ্র দেবের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। মিয়ানমার থেকে আসা ট্রলারের মাঝি-মাল্লাদের করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এ টিম। এ বন্দরে মিয়ানমার হয়ে চীনের অনেক পণ্য টেকনাফ স্থলবন্দর ও করিডোর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ফলে বন্দরে আগত ট্রলারের মাঝি-মাল্লাদের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে তাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে নিয়মিত। মেডিকেল অফিসার ডা. শুভ্র দেব বলেন, প্রতিদিন বন্দরে গিয়ে জাহাজের নাবিক, মাঝি মাল্লাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় দুইশত লোকজনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এ কাজ অব্যাহত রয়েছে। টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ শয্যার একটি করোনা কর্নার খোলা হয়েছে বলেও জানান তিনি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সবার সুবিধার্থে হটলাইনের ব্যবস্থা করার কথা জানিয়ে বলেন, ইতোমধ্যে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি আইসোলেশন কর্র্নার করা হয়েছে। পাশাপাশি এনজিওদের সমন্বয় করে কাজ করছে প্রশাসন। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কারণে এ দুই উপজেলাকে ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এখানে দেশি-বিদেশি অনেক এনজিওকর্মী কাজ করছে। তাই এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সজাগ রয়েছে।
6
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিএনপি ক্যালিফোর্নিয়া শাখা সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেসের গ্রিফিত পার্কের ক্রিস্টাল স্প্রিং প্রাঙ্গণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ, আমেরিকা এবং বিএনপির দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিএনপি ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমান, বিএনপি ক্যালিফোর্নিয়া শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল বাছিত, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শামসুজ্জোহা বাবলু প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জনান।
4
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাসভবনে সিলেট নগরীর উন্নয়ন ও নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলেন প্রথম আলোর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান। প্রথম আলো: টাকা থাকলেও উন্নয়ন হয় না, ফেরত যায়। আপনি কেন ও কীভাবে সফল? আরিফুল হক চৌধুরী: আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। এর প্রধান কৃতিত্ব নগরবাসীর। আমার কতগুলো চ্যালেঞ্জ ছিল। জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা ছিল। প্রথম আলো: আপনি ছিল বলছেন, তাহলে সামনের বর্ষায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম যথারীতি ডুববে, সিলেট ডুববে না? আরিফুল হক: দৈব-দুর্বিপাক ছাড়া আশা করছি, ডুববে না। সিলেট নগরীতে পাহাড়ি ছড়া ও খালের বিরাট প্রভাব। তাই প্রথমেই এর একটা ম্যাপিং করি। জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড-এর সহায়তা নিই। তিনটি বড় সমস্যা চিহ্নিত করি। এক. ছড়াগুলোর গতি পরিবর্তিত হয়েছিল, দুই. ৪০ থেকে ৫০ ফুট প্রশস্ত ছড়া কোথাও এক থেকে দেড় ফুটে সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। তিন. যেসব ছড়া ব্যক্তিমালিকানাধীন কোনো জলাশয়ে মিশেছে, সেখানে দেয়াল তোলায় ছড়ার গতিপথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আবার কোথাও হয়তো কোনো সংবেদনশীল স্থাপনা পড়েছে। সেসব আমরা এলাকা ভিত্তিতে কথা বলে সমাধান বের করেছি। তাই সরকারি প্রশাসনিক বা আদালতের আশ্রয় নিতে হয়নি। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে আমাকে দুই বছর সরকারি হেফাজতে (কারাগারে) থাকতে হয়। তখন কাজ থেমে ছিল, বের হয়ে তা প্রায় শেষ করতে পেরেছি। দুই মেয়াদে বিভিন্ন ধরনের নর্দমা তৈরি ২৬২ কিলোমিটার। রোড ডিভাইডার ৫০ কিলোমিটার এবং পিচ ঢালাই রাস্তা ২০০ কিলোমিটার। ১০টি নলকূপ ও ১৯৫ কিলোমিটার পানির পাইপলাইন। এসব পদক্ষেপের ফলে শতকরা ৮০ থেকে ৯০ ভাগ জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর হয়েছে বলা যায়। প্রথম আলো: কিন্তু আপনি অসফল ফুটপাতমুক্ত বা হকার উচ্ছেদে? আরিফুল হক: সফল অ-সফল কতটা জানি না। এখানে একটা লুকোচুরি খেলার মতো চলছে। আনুষঙ্গিক বিষয় যা থাকা দরকার, সেখানে ঘাটতি আছে। এর পেছনে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। তবে জলাবদ্ধতার পরে এখন সড়ক সম্প্রসারণে হাত দিয়েছি। এরপর বণিক সমিতিকে সঙ্গে নিয়ে এটায় পুরো নজর দেব। তবে ইতিমধ্যে যে পরিবর্তন দৃশ্যমান, সেটা হলো বেলা দুইটার আগে আপনি সিলেটের সড়কগুলো হকারমুক্ত পাবেন। প্রথম আলো: হকারদের পুনর্বাসন? আরিফুল হক: লালদীঘিতে তাদের পুনর্বাসন করা হয়েছিল কিন্তু তারা বিক্রি করে দিয়ে চলে এসেছে। আমি আসলে সিলেট শহরে সড়কে ফ্রাইডে এবং স্যাটারডে মার্কেট শুরু করতে চাই। প্রতি সপ্তাহান্তে সড়ক বদলাবে। শর্ত একটাই, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আছে বা কোনো জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে বসা যাবে না। ব্র্যাকের সহায়তায় বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার বিশেষ প্রকল্প (৩ ওয়ার্ড) সফল হচ্ছে। গত দেড় মাসেই ৩ টন বর্জ্য বেচে পেয়েছি ৭০ হাজার টাকা। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল মাত্র সোয়া লাখ টাকা। ইউএনডিপি, ইউনিসেফও আগ্রহ দেখাচ্ছে। প্রথম আলো: দেশের অন্যত্র যখন মুখ দেখাদেখি বন্ধ তখন আপনার নেতৃত্বের প্রতি ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতারা কী মনোভাব দেখাচ্ছেন? আরিফুল হক: এটা একটা সুখবর যে, শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দলসহ যত দল আছে, এসব বিষয়ে সবাই একত্র হয়েছে। আমার বাসায় তারা সবাই বৈঠকে বসেছে। প্রথম আলো: এত বৈরিতার মধ্যে আপনি তো তাহলে একটা সর্বদলীয় বৈঠকের নজির স্থাপন করেছেন? আরিফুল হক: কিন্তু এতে শুধু শ্রমিকেরাই জড়িত। মেয়র হিসেবে আমি তো সবার মেয়র। সুতরাং আমার কাছে তো এই বিবেচনা নেই যে এখানে শ্রমিক দলের হকাররা বসবেন, শ্রমিক লীগের বসবেন না। তাঁরা শ্রমজীবী। আমি তাঁদের এটুকু বোঝাতে পেরেছি, পুলিশ কেন তাঁদের তাড়া করবে। চাঁদাবাজদের কেন তাঁরা টাকা দেবেন। প্রথম আলো: অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনে কিছু প্রকল্প বন্ধ আছে। আরিফুল হক: কোনো প্রকল্প বন্ধ হতে দিইনি। কিছু মতপার্থক্য দেখা দেয়। ঠিকাদার যেভাবে কাজ করেন, সেটা হয়তো কাউন্সিলরদের মনঃপূত হয় না। আবার অনেক সময় ঠিকাদার কাজ নিয়ে তা বিক্রি করে দেন। আমি পুনর্নির্বাচিত হয়ে বলেছি কোনো ঠিকাদার কোনো কাজ বিক্রি করতে পারবেন না। প্রথম আলো: জেলার সরকারি প্রশাসন থেকে কী রকম সহযোগিতা পাচ্ছেন? আরিফুল হক: আমি সব রকম সহযোগিতা পাচ্ছি। সাবেক অর্থমন্ত্রীও তাঁর সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সাহেবের কাছ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি। সবেমাত্রই আমরা সাড়ে ১২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ পেয়েছি। সিলেটের ইতিহাসে এটাই বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প। ৮০ ভাগ বাংলাদেশ সরকার এবং বাকি ২০ ভাগের জোগান দেবে সিলেট সিটি করপোরেশন। প্রথম আলো: আপনি এই ২০ ভাগের টাকা কোথায় পাবেন? ট্যাক্স বাড়িয়েছেন কতটা? আরিফুল হক: এর উৎস হচ্ছে রাজস্ব আয়, হোল্ডিং ট্যাক্স। দুই মেয়াদে আমি কোনো ট্যাক্স বাড়াইনি। না বাড়িয়ে বকেয়া ট্যাক্স তোলার ব্যবস্থা করেছি। মানুষ কর দিতে চায়। কিন্তু নানা জটিলতা ও বাধা আছে। যেমন ধরুন প্রবাসীরা টাকা পাঠান, অথচ অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কেয়ারটেকাররা তা জমা দেন না। অনলাইনে জমা করার বিধান করায় এসব বাধা থাকছে না। ২০০৬-০৭ সালে আদায় ছিল ২২ কোটি ১২ লাখ টাকা। আম নির্বাচিত হই ২০১৩ সালে। সেই থেকে এ পর্যন্ত আদায় ৫৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। প্রথম আলো: বিদ্যুৎ বিতরণের লাইন মাটির নিচে পাঠানোর ফলাফল কী? আরিফুল হক: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এই প্রকল্প প্রথম সিলেট শহরে হচ্ছে। তারা দেশের কোন শহরে পাইলট স্কিম করবে, যাচাই করছিল। হঠাৎ জানতে পেরে সাবেক অর্থমন্ত্রীকে বললাম আপনি যদি হস্তক্ষেপ করেন তাহলে আমরা এটা পেতে পারি। তাই হলো। উচ্চপর্যায়ের বোর্ড মিটিং বসল। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পিডব্লিউডি শহরে এল। তারা রাজি হচ্ছিল না। বলল, বিদ্যুতের লাইন মাটির গর্ভে পাঠালে ট্রান্সফরমারগুলো কার জমির ওপরে বসবে। আমি ঝুঁকি নিলাম। বললাম, আমি যেভাবে পারি জনগণকে বুঝিয়ে তাদের বাড়িঘরের ভেতরে আমি বসাব। এরপর আমি সরকারি হেফাজতে যাই। শুনতে পেলাম, সিলেটের জন্য এটা বাতিল হয়ে গেছে। ২০১৭ সালে আমি হেফাজত থেকে বেরোই। খোঁজ নিয়ে জানি, এটা বাতিল হয়নি, স্থগিত রয়েছে। আবার সাবেক অর্থমন্ত্রীর কাছে ছুটলাম। তিনি দ্রুত একটা ডিও লিখলেন। নথি নড়ল। কিন্তু পড়ল আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়। কারণ, এই প্রকল্পের ডিপিপি হলো অসম্পূর্ণ। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির খরচটা তাতে ধরা হলো না। ৬৩ কোটি টাকার দরকার। আমি অনেকটা বাজি ধরি। বলি, আমি (সিটি করপোরেশন) দেব। এনওসি দিলাম। এভাবে কাজ শুরু হলো। প্রথম আলো: আর কী অভিজ্ঞতা, যা দেশের একই কাজে নামলে অন্য মেয়রদের জন্য কৌতূহলোদ্দীপক? আরিফুল হক: এই কাজে নেমে দুটি বিষয় দেখলাম। যারা ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে, তারা আমাকে কোনো কর দেয় না। তারা বিনা টাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ব্যবহার করে আসছে। আরেকটি গ্রুপ হলো ডিশ ব্যবসায়ী। তাদের সেবা মাটির নিচে পাঠালাম। আমার অগ্রাধিকার নগরবাসীর নিরাপত্তা সুরক্ষায়। যখন নাইট ভিশনের মতো ক্যামেরা আমাকে ফিট করতে হবে, তখন কেব্ল লাগবে। সুতরাং এখন যদি এসব সেবা জুতসইভাবে যুক্ত হয়, তাহলে আমরা পরে বেনিফিট নেব। এ জন্য তাদের সঙ্গে আমি একটি সমঝোতা স্মারক সই করি। এ পর্যন্ত নগরীতে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ লাইন টানার কাজ মাত্র আড়াই কিলোমিটারে হয়েছে। পাঁচ কিলোমিটার লাগবে মূল শহরে। আমি এখন প্রস্তাব দিয়েছি ২৫ কিলোমিটারের। মোটামুটি এটা অনুমোদন পেয়েছে। ৫ কিলোমিটারে খরচ পড়েছে ৫৫ কোটি টাকা। মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো টাওয়ার বসিয়ে ব্যবসা করছে। তাদের বললাম, আপনারা ফ্রি ব্যবসা করতে পারেন না। তারা পাল্টা যুক্তি দিল, কেন্দ্রীয় সরকারকে দিই। আপনাদের দেওয়ার দরকার নেই। এরপর আমি হাউজিং স্টেটকে চিঠি দিই। তাদের বলি, তোমরা বহুতল ভবনে টাওয়ার বসানোর সময় অনুমতি নেওনি। চার-পাঁচ মাস আগের কথা। দুই ফোন কোম্পানির লাইন কাটার প্রস্তুতি নিই। তবে কাটতে হয়নি। শুধু ব্লেড লাগিয়েছিলাম। এতেই কাজ হয়েছে। দুই ফোন কোম্পানি ৭৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। প্রথম আলো: মাটির নিচে গেলে আর কী সুবিধা হবে? আরিফুল হক: বিদ্যুৎ বিভাগ সিস্টেম লস থেকে একটা বড় বাঁচা বাঁচবে। বিল না দিয়ে অবৈধ লাইন টেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা, মিটার টেম্পারিংয়ের মতো গচ্চা বন্ধ হবে। ট্রান্সফরমার চুরি হওয়া এবং তার কেটে নেওয়ার মতো সমস্যা থাকবে না। বরং বিদ্যুতের ব্যবহার আরও নিরাপদ হবে। ডিজিটাল মিটার চুরি, লস ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমিয়ে দেবে। সিটি প্রশাসন চালানোর একটি বিরাট শিরপীড়া হলো বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার সময় ২৬ কোটি টাকা পড়েছিল। এখন প্রায় ১৩ কোটি টাকা। পিডব্লিউডির সঙ্গে এটা কমাতে আলোচনা চলছে। প্রথম আলো: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় কার্যকর ও গুণগত পরিবর্তন আনার মূলমন্ত্র কী? আরিফুল হক: সেবা যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় দিতে হয়, তাহলে বিভাজন করলে হবে না। এটা অনুমেয় বা প্রতীয়মান হয় যে, এখানে আমি যেহেতু বিরোধী দলের মেয়র। তাই ডেপুটি কমিশনার বা পুলিশ সুপার দ্বিধায় ভোগেন। মেয়র ছাড়া আমার কোনো স্ট্যাটাস নেই। মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল কেউ এলে আমি যত দূর সম্ভব আমন্ত্রণের অপেক্ষায় থাকি না। নিজেই দরকারি বৈঠকগুলোতে হাজির থাকি। কিন্তু কখনো বুঝতে পারি, আমি তো জনস্বার্থে, এলাকার উন্নয়নে যাই, কিন্তু যাঁদের কাছে যাই, তাঁরা যেন বিব্রত হন। এই অদৃশ্যমান বাধাসমূহের অপনোদন একটি স্বাভাবিক প্রত্যাশা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন উন্নয়ন শতভাগ হতে হবে। আমি মনে করি, শতভাগ উন্নয়নের ধারণাকে সম্পূর্ণতা দিতে প্রত্যেককে সমানতালে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রথম আলো: আপনার এই কথাগুলো প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি বলার সুযোগ পেয়েছেন বা তেমন চেষ্টা করেছেন? আরিফুল হক: এ বিষয়ে আমার আন্তরিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাঁর সাক্ষাৎ চেয়ে দু-তিনবার দরখাস্ত দিয়েছি। কিন্তু তা তাঁর দপ্তরে বা তাঁর নজরে পৌঁছেছে বলে মনে হয় না। মেয়র হওয়ার পরে গণভবনে শপথ অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎ ঘটেছিল। তিনি আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বপ্রণোদিতভাবে কুশল বিনিময় করেছিলেন। এমনকি তাঁর আগ্রহেই গণভবনের লনে, ওই যে দেখেন (তাঁর বাসভবনে টানানো), সিলেটের কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে ফটোসেশন করেছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, কাজ করুন। আমার সহযোগিতা পাবেন। আমি চাই জনগণের জন্য কাজ হোক। সেটা আমি নিশ্চয় পাচ্ছি। তবে কিছু বিষয় থাকে, যা শুধু তাঁকেই বলা যায়। আমি এসব বিষয় লিখে জানাতে পারি না। কারণ, বিষয়ের সংবেদনশীলতা থাকতে পারে। এর সঙ্গে আমার নিরাপত্তার বিষয়ও থাকতে পারে। প্রথম আলো: বিএনপির কাউন্সিলর কত? মুজিব বর্ষে কী কর্মসূচি? আওয়ামী লীগের সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে স্থানীয় বিএনপি আপনাকে সহযোগিতা দিচ্ছে কতটা? আরিফুল হক: আমরা যথেষ্ট মাইনরিটি, পাঁচ থেকে ছয়জন মাত্র। ভোটের পরে ৫ থেকে ৭ বার আমাদের ক্যাবিনেটের সভা হয়েছে। ৩৪ জনের মধ্যে দু-একজন বাদে বাকিরা সব সময় হাজির থেকেছেন। আমি মনে করি অন্যান্য সিটি করপোরেশন থেকে আমাদের মুজিব বর্ষ উদ্যাপন প্রস্তুতিতে এগিয়ে আছি। এক কোটি টাকার নিজস্ব বাজেট। আমার পরিধি সীমিত। তদুপরি আমি এ প্রসঙ্গে বলতে চাই শেখ মুজিবুর রহমানকে দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত না করাই ভালো। তাঁকে যদি ফাদার অব দ্য নেশন হিসেবে দাবি করেন, তাহলে এখানে কোনো বিভাজন না করাই উচিত। তাঁকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। প্রথম আলো: আপনার শেষ মন্তব্য? আরিফুল হক: আমি আপনার মাধ্যমে এটা বলতে চাই, কেউ যখন আমার মেসেজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাচ্ছে না, তখন আমি চাইছি যে আমার এলাকার জনগণের জন্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যেটা চলমান রয়েছে, তার কোথায় সুবিধা, কোথায় অসুবিধা, এটা আমি তাঁর কাছেই বলতে চাই। এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা তাঁকে ছাড়া অন্যদের কাছে বলতে পারব না। প্রথম আলো: ধন্যবাদ। আরিফুল হক: ধন্যবাদ।
8
বেড়েছে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বাড়ায় দেশে রান্নার জন্য জনপ্রিয় এই গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। বেসরকারি পর্যায়ে এলপিজির দাম প্রতি কেজিতে ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৮৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা জুন মাসে ছিল ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা ধরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮৪২ টাকা। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের (পরিবহনে ব্যবহৃত এলপিজি) দাম ৪১ দশমিক ৮৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করেছে হয়েছে। বুধবার (৩০ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তা পর্যায়ে তৃতীয়বারের মতো এলপিজির দাম সমন্বয় করার আদেশ দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এ সময় কমিশন চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবু ফারুক, মকবুল-ই এলাহী, বজলুর রহমান, কামরুজ্জামান, সচিব রুবিনা ফেরদৌসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, জুন মাসের জন্য সৌদি আরামকো কর্তৃক প্রোপেন ও বিউটেনের ঘোষিত সৌদি সিপি যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টন ৫৩০ ডলার এবং ৫২৫ ডলার অনুযায়ী মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় গড় মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৫২৬.৭৫ ডলার ধরে দেশের বাজারের জন্য এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৫৯১ টাকা থাকবে। কারণ এই দামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের কোনও সম্পর্ক নেই। এদিকে আবাসিক ও শিল্পে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড সিস্টেমেন এলপিজির দাম ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিকেজি ৭১ টাকা ৯৪ পয়সা অথবা প্রতি লিটার ০ দশমিক ১৫৯৭ টাকা পুননির্ধারণ করেছে কমিশন।
6
সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ সংলাপে অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্যার শব্দের বাংলা অর্থ মহোদয়। রুলস অব বিজনেসে এটা নেই। স্যার বা ম্যাডাম সম্বোধন করতে হবে এমন কোনো রীতি নেই।'সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল-যাঁরা সেবা নিতে আসেন তাঁদের দিকে তাকাও, তাঁরা তোমার বাবার মতো, ভাইয়ের মতো, আত্মীয়ের মতো। সেবা নিতে আসেন জনগণ। তাদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। বিভাগীয় কমিশনার থেকে মাঠ প্রশাসনকে আমরা সেই নির্দেশনা দিই। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। হাসিমুখের অ্যাটিচিউটটা খুব ইমপর্টেন্ট। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল, এটা কখনো করা যাবে না। আইনের মধ্যে থেকে সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার অ্যাটিচিউড থাকতে হবে। কর্মকর্তারা যাতে এটি মেনে চলেন।'২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরু দণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য ৪৯টি মামলা চলমান আছে বলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন।সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের মতানৈক্য নিয়ে এক প্রশ্নে ফরহাদ বলেন, কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে সেটা দেখা দরকার। বরিশালে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। করোনার মধ্যেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অত্যন্ত আন্তরিকভাবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বেশি জনমুখী হয়েছি। দু-এক জায়গায় যে ঘটনা ঘটেছে, তদন্ত করে বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।'জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান অনেক বেড়েছে দাবি করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসিল্যান্ড অফিসে অনেক ঝামেলা ছিল, এখন ডিজিটালাইজেশনের কারণে সেই ঝামেলা নেই। এখন ৯৫ শতাংশই কর্মকর্তাই সফল হচ্ছেন। এই ৫ শতাংশ কর্মকর্তা কমিউনিকেশনের জন্য সুন্দর করে বললে এমন হতো না। কাউকেই তাঁর আইনি এখতিয়ারের বাইরে আচরণ করা উচিত নয়।
6
বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবার এক ফেসবুক বার্তায় তিনি নিজেই করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। ডা. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী তার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন। বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন
4
বরিশালের আড়িয়ালখাঁ নদীর মীরগঞ্জ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় এক যাত্রীকে বেদম মারধর করে ট্রলার থেকে নদীতে ফেলে বাঁশ দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নির্যাতিত যাত্রীর মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতারও করে। এদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং যাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ খেয়া যাত্রীরা। যাত্রী নির্যাতন মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একপর্যায়ে তাকে মাঝ নদীতে ফেলে দেয় তারা। তিনি সাঁতরে তীরে উঠতে চাইলে বাঁশ দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় কোনোমতে প্রাণে বেঁচে রাসেল। দূর থেকে কেউ একজন পুরো ঘটনা ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়। বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। খেয়া যাত্রী আনোয়ার হোসেন জানান, জেলার মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জের কয়েক লাখ মানুষ এই খেয়া পার হয়ে বরিশালে চলাচল করেন। সবার কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করা হয়। এই খেয়ায় চলাচলকারী যাত্রীরা ইজারাদারের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফারজানা ইয়াসমিন নামে আরেকজন যাত্রী অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত ভাড়া দিতে রাজী না হওয়ায় মাঝ নদী থেকেও ট্রলার ঘুরিয়ে উল্টো পথে নামিয়ে দেয় তারা। উর্মি আক্তার নামে এক যাত্রী বলেন, এই ঘাটে অতিরিক্ত ভাড়ায় আদায়ের ঘটনা নতুন নয়। সবাই মান সম্মানের ভয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য হন। প্রতিবাদ করলেই ইজারদারের লোকজন তাদের মারধরসহ নানাভাবে হেনস্তা করে। মীরগঞ্জ খেয়াঘাটে বছরের পর বছর ধরে এই জুলুমবাজি চললেও প্রশাসন এবং পুলিশ থাকছে একেবারে নির্বিকার। অভিযোগ রয়েছে ইজারাদার প্রভাবশালী হওয়ায় বিষয়টি চেপে যাচ্ছে পুলিশ ও প্রশাসন। ভুক্তভোগী যাত্রীরা মীরগঞ্জ ফেরিঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী নির্যাতন বন্ধে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবী করেন। খেয়াঘাট পরিচালনাকারী আলমগীর হোসেন সুমন রাড়ি বলেন, তিনি ৩ বছর আগে ওই খেয়াঘাটের ইজারাদার ছিলেন। এখন মশিউর রহমান মানব নামে একজন ইজারাদার হয়েছেন। এ ব্যাপারে মশিউর রহমান মানবের মোবাইলে ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মশিউর রহমান মানব নামে ইজারা নিয়ে মূলত সুমন রাড়িই খেয়াঘাট পরিচালনা করছেন। এদিকে যাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় নির্যাতিত রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে গত ২১ জুলাই ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন বাবুগঞ্জ থানায়। মো. তুহিন নামে এক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও অন্যরা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, খেয়া যাত্রী নির্যাতন মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয়া হবে। আর বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়াদার বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা আইন বহির্ভূত। এ ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর
6
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও কানাডার শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিভাবে সেতুবন্ধন তৈরি করা যায় সে লক্ষ্যে এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কানাডার ক্যালগেরিতে 'প্রবাস বাংলা ভয়েস' এর আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুলের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। মূল বক্তব্য পাঠ করেন ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. আনিস হক। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট কলামিস্ট উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং ক্যালগেরির এ বিএম কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. মো. বাতেন। এছাড়াও আলোচনায় আরো অংশ নেন অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড জিও সাইন্টিস্ট অফ আলবার্টার ক্যালগেরি শাখার কোষাধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির, বিসিএওসির সাবেক সভাপতি আবদুল্লা রফিক, সিলেট অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির সভাপতি রূপক দত্ত, সাবেক ছাত্রনেতা, ট্রাস্টি ও সাবেক সভাপতি বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির কিরণ বণিক শংকর এবং আলবার্টা বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগারি সভাপতি প্রকৌশলী সুব্রত বৈরাগী। কানাডায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান তার বক্তব্যে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর সংখ্যক শিক্ষার্থী এই দেশে এসে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রাখবে তার উপর গুরুত্বারোপ করেন। ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আনিস হক তার মূল বক্তব্যে কানাডায় পড়তে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সহযোগিতাসহ কানাডা এবং বাংলাদেশের ভেতর উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সাম্ভাব্য সহযোগিতার উপর আলোকপাত করেন। এছাড়াও বক্তারা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে কানাডা ও বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেতুবন্ধন হতে পারে মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন।
4
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, 'আওয়ামী লীগ সরকারের পতন না ঘটলে বাংলাদেশের মানুষের অবস্থা রোহিঙ্গাদের মতো হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরে হামলা করা আওয়ামী লীগের আসল চেহারা দেশের মানুষের আর বুঝতে বাকি নেই। এই ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় থাকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের একদিন রোহিঙ্গাদের মতো পরিণতি হবে।'শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মির্জা আব্বাস বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতি করে না। দেশের মানুষের কল্যাণ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য রাজনীতি করে। এজন্য দলকে সুসংগঠিত করে এই সরকারের পতনের লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের এগিয়ে আসতে হবে।'দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক বিসয়ক সম্পাদক মীর সরফত আরী সপু প্রমুখ।
9
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুদহোদা রতনকে ৩৫ বস্তা মৎস্য ভিজিএফ'র চালসহ আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ওই ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ শেষে আত্মসাতের আভিযোগ উঠলে তাকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া, আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম নাসির উদ্দিন স্বপন ও ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোফাজ্জেল ব্যাপারী এবং ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য শামীম বেপারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন
6
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ জেলার উন্নয়ন নিয়ে অপরাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়ার উন্নয়ন বিষয়ে গত ১ অক্টোবর এমপি সিরাজের সংবাদ সম্মেলনটি ছিল এক ধরনের অপকৌশল ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির অংশ। শহরের সাতমাথার দলীয় কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. মকবুল হোসেন বলেন, বিএনপিদলীয় এমপি বগুড়ার উন্নয়ন বিষয়ে তার সংবাদ সম্মেলনে আমাকে কৌশলে নিয়ে যান। তিনি সেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার উন্নয়নের বিষয়টি আড়াল করে বিএনপির সময়কার উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তাৎক্ষণিক আমি এর প্রতিবাদও জানিয়েছি, তথাপি বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান। এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বগুড়া প্রেস ক্লাবে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অন্য কোনো নেতা উপস্থিত না হলেও ডা. মকবুল হোসেন উপস্থিত থেকে বিএনপির এমপির বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়। এরপর বিষয়টি জেলা আওয়ামী লীগ স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনু বলেন, এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে নিজের দলের ফিরিস্তি তুলে ধরেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নকে তিনি বিএনপি সরকারের সময়ের উন্নয়ন বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মজিবুর রহমান মজনু বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যেসব দাবি উত্থাপন করেছিলেন সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়ায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে; অথচ সেগুলোই এমপি সিরাজ তার সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরে এসব বিএনপির দাবি বলে অপপ্রচার করেছেন। মজনু আরও বলেন, বগুড়ার দৃশ্যমান উন্নয়নের মধ্যে সম্প্রতি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ৫০০ থেকে ১২০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়, যার ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া হয়ে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগ জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটিতে (একনেকে) পাস হয়েছে। বগুড়া জজ আদালতে ১০ তলা বিশিষ্ট সুবিশাল অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, যা ১৮ তলা করার প্রস্তাবনা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চারমাথায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, দ্বিতীয় বাইপাস সড়ক নির্মাণ সরকারের উন্নয়নের অনন্য উদাহরণ। বগুড়াকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে। যার ফলে বগুড়া শিল্পনগরী হিসেবে আরও সমৃদ্ধ হবে এবং মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সময়ে বগুড়ার বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন মজিবুর রহমান মজনু। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের এত উন্নয়নের পরও গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিক স্টান্টবাজি করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন মুকুল, রাগেবুল আহসান রিপু, টি জামান নিকেতা, আসাদুর রহমান দুলু, সুলতান মাহমুদ খান রনি, কামরুন নাহার পুতুল, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, মাশরাফী হিরো, মাফুজুল ইসলাম রাজ, আলরাজী জুয়েল, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু প্রমুখ।
6
সফিউল্লাহ মিয়া। ষাট ছুঁই ছুঁই বয়স। এলাকায় মৃত্যুর খবর শুনলেই ছুটে যান তিনি। গিয়েই প্রথমে মৃতদেহের মাপজোখ নেন। এরপর গোরস্থানে গিয়ে শুরু করেন কবর খোঁড়া। রাত-দিন ২৪ ঘণ্টাই তিনি প্রস্তুত। রোগ-শোকও যেন কোনো বাধা নয়। প্রায় নেশার মতো পেয়ে বসেছে তাঁকে। ৪০ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে গোরখোদকের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।সফিউল্লাহ কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর গ্রামের মৃত সূর্যাত আলীর ছেলে। এ পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি কবর খুঁড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।স্থানীয় স্কুলশিক্ষক শাহ আলম বলেন, 'সফিউল্লাহ ভাই আমাদের এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করেন। প্রায় ৪০ বছর ধরে শিশু থেকে বৃদ্ধ, এলাকার সবার কবরই তিনিই খুঁড়েছেন। আমার বাবার কবরও খুঁড়েছেন। কোনো টাকা নেননি। পরে জোর করে সামান্য কিছু খরচ দিয়েছি। তাতেও রাগ করেন তিনি। তাঁর এই কাজের বিনিময়ে আমরা এলাকাবাসী তাঁকে কিছুই দিতে পারিনি।'সফিউল্লাহর ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, 'বাবার কাজ আমাদের কাছে খুবই ভালো লাগে। ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি, তিনি অন্যের বাড়ি, কৃষি জমিতে কাজ করতেন। সেই টাকা দিয়ে আমাদের তিন বোন আর দুই ভাই ও মাসহ ছয়জনের সংসার চালাতেন। অনেক কষ্ট করতেন। অনেক সময় সকালে কাজ শুরু করতেন সন্ধ্যায় বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরতেন। কেউ মারা গেলেই কবর খুঁড়তে যেতেন। এখনো যান। সবাই আমার বাবাকে টাকা দিতে চাইলে তিনি নেন না।'গোরখোদক হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে সফিউল্লাহ মিয়া বলেন, ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই কবর খোঁড়ার কাজ করছেন তিনি। তিনি বলেন, 'প্রথম দিকে আমি আগ্রহী ছিলাম না। তখন আমার মামা মহব্বত আলী এই কাজে আগ্রহী করে তোলেন। এরপর এলাকার কবর খুঁড়তে জানা প্রত্যেকেই এক এক করে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। একটা সময় শুধু আমিই এলাকায় একমাত্র গোরখোদক ছিলাম।'৪০ বছরে হাজার দেড়েক কবর খুঁড়েছেন সফিউল্লাহ। সুস্থ থাকলে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত এ কাজ করে যেতে চান। এই হাতে নিজের বাবা-মার কবরও খুঁড়েছেন তিনি।সফিউল্লাহ বলেন, 'আপন মানুষের শেষ ঠিকানা নিজের হাতে তৈরি করার মতো কষ্টের অনুভূতি হয়তো আর নেই। বাবা-মা, ভাই ও ফুফুর কবর খুঁড়তে গিয়ে নিজেকে সবচেয়ে বেশি নিষ্ঠুর মনে হয়েছে। কারণ আমি আমার আপন মানুষদের একটা অন্ধকার বিছানাহীন ঘরে রেখে এসেছিলাম। যেটা আমি নিজেই বানিয়েছি।'কবর খুঁড়তে গিয়ে মনে রাখার মতো অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে সফিউল্লাহর। তিনি বলেন, 'একবার বাড়ির পাশে একটি কবর করতে গেলে কাজ অর্ধেকের পর গোটা একটা মানুষের কঙ্কাল পেয়েছিলাম। যা আমার জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যখন বর্ষায় কেউ মারা যায়, তখন কবরে পানি উঠে যায়। ওই পানিতেই ভাসমান অবস্থায় আমি অনেক লাশ রেখে এসেছিলাম। আবার অনেক সময় কবর খুঁড়তে খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ বা বিষাক্ত কোনো প্রাণী। সেগুলো মোকাবিলা করে জীবনের ৪০ বছর পার করেছি। আর আমার সবচেয়ে কষ্ট হয়, যখন শিশু বাচ্চাদের কবর খুঁড়ি। বুক ভারী হয়ে কান্না আসে। কাউকে এই কষ্ট বলা যায় না। ৪০ বছরে আমার একটা কথাই বেশি মনে এসেছে। এত মানুষের কবর আমার হাতে হয়েছে। আমার কবর জানি কার হাতে হয়! এই চিন্তা থেকে অনেক যুবককে এই কাজে আগ্রহী করতে চাচ্ছি, কিন্তু এই কাজে এগিয়ে আসা যুবকের সংখ্যা খুবই কম।'সফিউল্লাহর প্রশংসা করলেন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামও। এমন সাদা মনের মানুষ আর হয় না! চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, 'আমার অনেক আত্মীয়-স্বজনের কবর খুঁড়েছেন সফিউল্লাহ। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। উনি গরিব মানুষ, কিন্তু কবর করার জন্য কারও কাছ থেকে টাকা-পয়সা নেন না। জোর করে দিতে গেলেও রাগারাগি করেন। ওনার জন্য সবাই দোয়া করেন।'
6
এবি নিশ্চিন্ত নামে এক আকর্ষণীয় পন্য উদ্বোধন করলো এবি ব্যাংক। যা ফিক্সড ডিপোজিটের গ্াহকরা কোন প্রিমিয়াম দেয়া ছাড়াই মেটলাইফ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত জীবন বীমা সুবিধা নিতে পারবেন। আজ সোমবার (১১ ডিসেম্বর) হোটেল সোনারগাঁয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজ্জাদ হুসাইন, রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান ডিএমডি আব্দুর রহমান, অন্যান্য ডিএমডি, সিনিয়র এক্সিকিউটিভরা উপস্থিত ছিলেন।
0
মুজিব শতবর্ষ এবং শোকাবহ আগস্ট মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নুর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবিতে অন্টারিও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হযেছে। বাঙালি অধ্যুষিত ড্যানফোর্থ এলাকায় স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন আয়োজনে সহযোগিতা করে কানাডা আওয়ামী লীগ ও কানাডা ছাত্রলীগ। ড্যানফোর্থ এলাকায় রেডহট তন্দুরি সংলগ্ন সড়কে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সকলে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। কোভিড পরিস্থিতি উন্নয়ন সাপেক্ষে ভবিষ্যতেও খুনি নুর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবিতে মানববন্ধনসহ অন্যান্য কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্টারিও আওয়ামী লীগের নেতারা। অন্টারিও আওয়ামী লীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন অন্টারিও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আব্দুল কাদের মিলু, উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, অন্টারিও আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আলী লিটন, সহ-সভাপতি গোলাম সারওয়ার, নির্বাহী সদস্য গোলাম মোস্তফা, প্রচার সম্পাদক আক্রামুল ইসলাম খান, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল এস বি এম হামিদ, কোষাধক্ষ্য মো. মঞ্জুর আল করিম রুবেল, দপ্তর সম্পাদক খালেদ আহম্মেদ শামিম, নির্বাহী সদস্য ফৌজিয়া করিম, মোস্তাফিজুর রহমান, সুকোমল রায়, দেলওয়ার হোসেন, মোঃ জুলহাস উদ্দিন, হাসনাত জামান এবং কানাডা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিরু চাকলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ জসিম উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরশেদ আহমেদ মুক্তা, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নজরুল আহমেদ, ঝুটন তরফদার, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও কনাডা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমানসহ অনেকে।
4
নড়াইলের কালিয়ায় নৌকা প্রতীকে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। গত বুধবার বিকেলে কলাবাড়িয়া বাজারে এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে বক্তব্য দেন, নড়াগাতি থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কলাবাড়িয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী তালুকদার রযিউল হাসান রাজু, কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোল্যা নজরুল ইসলাম, নড়াগাতি থানা কৃষক লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান দিপু, কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তালুকদার কামাল হোসেন প্রমুখ।সভায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেছেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে মো. মাহামুদল হাসান কায়েস নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এ জন্য তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ভীতি ছড়ানোর জন্য উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নিজ সমর্থকদের দিয়ে নৌকার প্রতীকে অগ্নিসংযোগ করেছেন মাহামুদল হাসান।অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, মো. মাহামুদুল হাসান কায়েস। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁর কোনো সমর্থক ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত না।এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার রযিউল হাসান রাজু।কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. গাজী বশির আহম্মেদ বলেছেন, 'অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।'উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচার উপলক্ষে কালিয়া-চাপাইল সড়কের পাশে কাপড় দিয়ে তৈরি একটি নৌকা টাঙানো ছিল। গত মঙ্গলবার রাতে নৌকা প্রতীকটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
6
রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে পিকআপ ভ্যান, পণ্যবাহী পরিবহন, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও সিএনজিতে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। রোববার গভীর রাতে উত্তরা থেকে আবদুল্লাহপুরে এমন চিত্র দেখা গেছে অহরহ। তবে আবদুল্লাহপুরে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ আবদুল্লাহপুর মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়েছে। এই চেকপোস্টের দায়িত্বে উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই ইয়াদুর রহমান। রাত ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও চেকপোস্টের ধারেকাছেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বরত এক কনস্টেবল বলেন, 'স্যার পাঁচ দিন টানা নাইট ডিউটি করেছেন। তাই বিশ্রাম নিতে বাসায় গেছেন।' পুলিশের এই গা ছাড়া ভাবের কারণে হরহামেশাই প্রাইভেটকার, সিএনজি, পিকআপ, ও কাভার্ডভ্যানে করে যাত্রী পরিবহন করছেন চালকেরা। যদিও মাঝে মাঝে কয়েকটি গাড়ি তল্লাশি করে যাত্রী নামিয়ে দিতে দেখা গেছে।পিকআপ ভ্যানে (ঢাকা মেট্রো ন-১৮-১৬৪৭) পর্দা টানিয়ে যাত্রী ভর্তি করে খিলগাঁও থেকে আবদুল্লাহপুরে এসেছেন চালক শান্ত। তিনি বলেন, 'গাইবান্ধা সদরের কালিবাজারে যাওয়ার জন্য যাত্রী নিয়ে এসেছি। পুলিশ দূর থেকে দেখে যেন বুঝতে না পারে, আমি যাত্রী পরিবহন করছি। তাই পর্দা টানিয়েছি। আর এখন যাত্রী নিলে বেশি ভাড়া পাওয়া যায়। জনপ্রতি ভাড়া ৬০০ টাকা করে নিচ্ছি।' কঠোর লকডাউনের মধ্যে কাজ না থাকায় গ্রামে চলে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অধিকাংশ যাত্রী। পিকআপে মীরহাজীরবাগ থেকে গাইবান্ধায় যাওয়া যাত্রী শিমেদুল ইসলাম বলেন, 'ঢাকায় আমি রিকশা চালাই। এখন কোনো কাজ নাই, তাই দেশে যাই।' এদিকে প্রাইভেটকারে (ঢাকা মেট্রো গ-১১-৩৫৯৫) ময়মনসিংহে যাওয়া শহিদুল ইসলাম বলেন, 'আমি উত্তরার একটি অফিসে চাকরি করি। আমার মামা মারা যাওয়ায় গ্রামে যাচ্ছি।'চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করা এসআই ইয়াদুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'আমি খাওয়ার জন্য বাসায় এসেছি। শেষ করেই চেকপোস্টে আসব।'আর মা বোন মারা যাওয়া আবদুল্লাহপুরে কান্নাকাটি করছিলেন তোরাব উদ্দিন। তিনি বলেন, 'আমি ঢাকায় কাজ করি। নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আমার মা-বোন মারা গেছেন। অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছি। এখন দেশে যাব কী করে?'তাঁর চিৎকার শুনে এক প্রাইভেটকারের চালক এসে গাড়িতে তুলে রওনা দেন নেত্রকোনার উদ্দেশে।এদিকে আবদুল্লাহপুরে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট জহির রায়হান বলেন, 'থানা-পুলিশের পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। তারা যাত্রীবাহী পরিবহন আটক করে আমাদের কাছে দিলেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারব।'
6
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, 'কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মধ্যে এগিয়ে আছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাষণে অত্যন্ত সুন্দরভাবে সামগ্রিক বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।' শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের ট্রেনিং কেন্দ্র এবং টিবি রোগ নিরাময় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, 'জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, খাদ্য নিরাপত্তা, সমতা ও টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শেখ হাসিনার ভাষণে তুলে ধরার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।' তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফল । জাতিসংঘে শেখ হাসিনার চমৎকার ভাষণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা.মো.মহিউদ্দিন ভূঁইয়া, উপ-পরিচালক সাজেদা খাতুনসহ কুমেক হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তারা। এছাড়া কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ড. সফিকুল ইসলাম, কুমিল্লা সিভিল সার্জন মীর মোবারক হোসেন ও কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
6
আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা কমলেও দেশে আরেক দফা দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার নতুন করে লিটারপ্রতি দাম ৫ থেকে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অধিশাখার উপসচিব খন্দকার নূরুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবিত দাম অনুযায়ী প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল ভোক্তা পর্যায়ে ১৮৫ টাকা করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১৮০ টাকা। আর এক লিটার সয়াবিন তেলের বোতল ২০৫ টাকা করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১৯৮ টাকা। তবে ৫ লিটারের বোতল ৯৯৭ টাকা করা হয়েছে। যা আগে ছিল ৯৮৫ টাকা। তবে পাম তেলের দাম কিছুটা কমিয়ে ১৫৮ টাকা করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১৭২ টাকা।জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানেক্লিককরুনবাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল মিল গেটে ১৮০ টাকা, পরিবেশক পর্যায়ে ১৮২ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হবে। আর এক লিটারের বোতল মিলে ১৯৫ টাকা, পরিবেশকে ১৯৯ টাকা এবং খুচরায় ২০৫ টাকা, ৫ লিটারের বোতল মিলে ৯৫২ টাকা, পরিবেশকে ৯৭২ টাকা এবং ভোক্তায় ৯৯৭ টাকা। পাম তেল মিলে ১৫৩ টাকা, পরিবেশকে ১৫৫ টাকা এবং খুচরায় ১৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি করা হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সাড়ে ৬ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রিআন্তর্জাতিক নিউজ পোর্টাল ইনডেক্স মুডি ডটকম সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি মেট্রিক টন সয়াবিন তেলের দাম ছিল এক হাজার ৯৫৬ মার্কিন ডলার। এপ্রিল মাসে তা কমে বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৯৪৭ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কমলেও দেশের বাজারে উল্টো দাম বাড়ানো হলো।সয়াবিন তেল সম্পর্কে জানতে - এখানে ক্লিক করুনজানতে চাইলে বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী ভুট্টো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম ১৫০ ডলারের মতো কমেছে। আর পাম তেল কমেছে ২০০ ডলার। তবে মার্চ-এপ্রিলে বিশ্ববাজারে দাম বেশি থাকায় আমদানি কম হয়েছে। ওই সময়ে চড়া দামে আমদানি হওয়ায় দাম বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। তবে পাইকারি বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৭৬-১৭৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
6
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, সরকারের পাপের বোঝা অনেক ভারী। তাদের চলে যাওয়ার সময় হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা জেলা বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সাধারণত বাজারে জোগান কম এবং চাহিদা বেশি থাকলে দ্রব্যমূল্য বাড়ে। একমাত্র আওয়ামী লুটেরা সিন্ডিকেটের স্বার্থেই দাম বাড়ছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে জনগণ চুপ থাকবে না।
6
ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এ নির্দেশনা দেন তিনি। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ভোরের কাগজকে জানান, করোনার মধ্যে আমরা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারিনি। আজ আমরা দুই জন গণভবনে গিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ড নিয়ে কথা বলেছেন। করোনাকালে ছাত্রলীগের কর্মকান্ডের তিনি প্রশংসা করেছেন। সেইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি, বিশেষ করে যেসব জেলায় কমিটি নেই, সেগুলোতে দ্রুত কমিটি করার বিষয়ে বলেছেন। আমরা দ্রুত মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোতে কমিটি করব। তিনি আমাদের সাংগঠনিক দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন কি-না জবাবে লেখক বলেন, এ ধরণের কোনো আলোচনা হয়নি।
6
পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সাংসদ ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট রুস্তম আলী ফরাজি স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। গত রোববার মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে 'মঠবাড়িয়ার উন্নয়ন ও সমস্যা' বিষয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ উদ্দিন পলাশের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম আজাদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, এইচ এম আকরামুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান শরীফ, সাংবাদিক ইসরাত জাহান মমতাজ, আবুল কালাম আজাদ, শিবাজী মজুমদার শিবু প্রমুখ।প্রধান অতিথি রুস্তম আলী ফরাজি এ সময় বলেন, 'গ্রাম হবে শহর-এ স্লোগান সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তিনি আমার কর্মকাণ্ড খুব পছন্দ করেন। তাই আমি জাতীয় সংসদে যা চাই তিনি সেগুলো পূরণ করেন। আমি এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিক করছি, যা এখনো চলমান রয়েছে। মাদক নির্মূলের জন্য সংসদে কথা বলেছি। কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তাঁকে বদলি করেছি। প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন সারা দেশ দুর্নীতি মুক্ত হোক। আমিও চাই মঠবাড়িয়া দুর্নীতিমুক্ত হোক।'
6
দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৬৫দিন সকল প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। এসময় তিনি বলেন, মৎস্য দেশের বড় সম্পদ। এ সম্পদের কথা বঙ্গবন্ধু বলে গিয়েছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে সে মাছ আজ বাংলাদেশে সহজলভ্য হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। ইতোপূর্বে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, মৎস্যজীবী সমিতি ও সংগঠন সম্মিলিতভাবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। রাষ্ট্রের একটি অংশ হিসেবে সকলে মিলে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলেও তারা পিছপা হননি। এটি আমাদের এগিয়ে যাবার মূলমন্ত্র। এভাবে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নতুন প্রণীত সামুদ্রিক মৎস্য আইন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ছিল উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইনের অপপ্রয়োগের কোন অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তারপরও এই আইনের অপপ্রয়োগ দেখলে সেটি বন্ধ করা হবে। তাই এই আইন নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তবে অকারণে কোন ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা করতে হবে। মৎস্যজীবী সম্প্রদায়সহ জনগণকে মৎস্যসম্পদ রক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে হবে। মন্ত্রী বলেন, করোনা সংকটে সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। তারা অর্পিত দায়িত্ব পালনে কোনরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করেন নি। করোনায় মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা বিশেষ করে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। মানুষের দোরগোড়ায় এ মন্ত্রণালয় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পৌঁছে দিয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও উৎসর্গের কারণে করোনাকালেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নতি সম্ভব হয়েছে। এসময় যেখানে বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রের অর্থনীতি নুয়ে পড়ছে সেখানে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অসাধারণ। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মো. তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, নৌপুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশপরিদর্শক মো. আতিকুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম, সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রাম-এর পরিচালক এবং বন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাগণ সভায় অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।
6
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। সোমবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায় জাতীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সারাদেশ লকডাউন ঘোষণা করেছেন। লকডাইন চলাকালে একসঙ্গে দু'জনের বেশি জমায়েত হওয়া যাবে না। বরিস জনসন বলেন, 'করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকির সম্মুখীন যুক্তরাজ্য। এই ভাইরাসের বিস্তার রুখতে না পারলে এক ভয়ানক পরিস্থিতির মুখোমুখি হবো আমরা। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে এই ভাইরাসের বিস্তৃতি এখনই ঠেকাতে হবে। না হলে এমন একটি সময় আসবে যখন বিশ্বের কোনো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই এই ভাইরাসের মোকাবেলা করতে পারবে না। কারণ, মৃত্যুর হার তখন এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, নার্স, এমনকি ভেনটিলেট, ইনটেনসিভ বেড কিছুই পাওয়া যাবে না।' লকডাউন ঘোষণা করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একবার ব্যায়াম, জরুরি পণ্যসামগ্রী ও ওষুধ ক্রয় ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। এক সঙ্গে দু'জনের বেশি জমায়েত হওয়া যাবে না। আইন ভঙ্গকারীদের জরিমানা করা হবে। কেউ এসব নিদের্শ অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারব।' নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান অনতিবিলম্বে বন্ধের নিদের্শ দেন বরিস জনসন। লাইব্রেরি, খেলার স্থান, ব্যায়ামাগার এমনকি উপাসনালয়ও বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেন তিনি। তবে পার্ক খোলা থাকলেও জনসমাগম সীমিত থাকবে বলে জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। শেষকৃত্য ছাড়া সব ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ে ও ধর্মীয় সমাবেশ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, 'তিন সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।' সোমবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৫০ জন, যাদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৩৫ জন।
3
প্রেম-ভালোবাসা মানেই অন্য রকম এক অনুভূতি। পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে তার জীবনে প্রেম আসেনি। প্রেমকে সাধারণত একটা আবেগ বলেই মনোবিজ্ঞানীরা অভিহিতে করেছেন। প্রেম এলে পরিবর্তন হয়ে মানুষের আচার আচরণ। প্রেমের কারণে মানুষ ভুলে যায় অতীত বা ভবিষ্যতের কথা। জীবনে প্রেম আসতে পারে এক বা একাধিক বার। তবে হুট করেই যার তার প্রেমে পড়ে যাওয়া উচিত নয়। এতে করে জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার। ঘটে যেতে পারে নানা অঘটন। তাই ছেলেদের উদ্দেশ্যে মনোবিজ্ঞানীরাপাঁচ ধরনের প্রেমিকা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যে ৫ ধরনের প্রেমিকা থেকে দূরে থাকবেন: ডোন্ট কেয়ার স্বভাবের: প্রেমিকা যদি হয় একেবারে ডোন্ট কেয়ার স্বভাবের তাহলে তো বুঝবেন কপালে কষ্ঠ আছে। কারণ ডোন্ট কেয়ার স্বভাবের মেয়েরা সাধারণত প্রেমিকের কোন কথার পাত্তা দেয় না। প্রেমিকের পছন্দ কিংবা নিষেধ কানেও নেয় না। এমন প্রেমিকা থেকে সাবধান! ভবিষ্যৎ অন্ধকারে যাওয়ার আগেই ভাবুন। কী করবেন? উদাসীন প্রেমিকা: অনেকের প্রেমিকাই একেবারেই উদাসীন। এ ধরনের মেয়ে প্রেমিকা হিসেবে এলো মানসিকভাবে শান্তি পাবেন না কখনই। কারণ কেয়ার সবারই প্রিয়। কিন্তু একেবারেই কেয়ারলেস সহনীয় নয়। তুমি অসুস্থ হয়ে বাসায় আছো। অথচ তার এগুলোতে কিছু যায় আসে না। তাহলে এমন প্রেমিকা ছেড়ে দেয়ার বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অতিরিক্ত যত্নবান: এ ধরনের প্রেমিকা নিয়েও নানা সমস্যা। প্রেমের শুরুতে এ ধরনের মেয়ে ভালো লাগলেও ধীরে ধীরে এগুলো রীতিমতো অত্যাচার মনে হবে। চলাফেরা থেকে শুরু করে খাওয়া, ঘুম এমনকি রাস্তায় হোঁচট খেলে কিনা সেটাও জানতে চান তারা। এমন প্রেমিকার হাতে পড়লে জীবন জাহান্নামের কিনারায় এসে দাঁড়াবে। বাস্তববাদী:প্রেমিকাদের অনেকেই অতিরিক্ত বাস্তববাদী হয়ে থাকে। এই ধরণের প্রেমিকা উঠতে বসতে যুক্তি দাঁড় করায়। এটা এভাবে নয় ওভাবে করো বলে সারাক্ষণ জ্ঞাণ বাক্য শুনায়। মোটকথা তাদের খুশি মত তারা তোমাকে উঠাবে আর বসাবে। সুতরাং সিদ্ধান্ত নিন এখনই। প্রেমিকা যখন আপনার কথায় ওঠ-বস করে: অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। কিছু প্রেমিকা আছে যারা প্রেমিকের কথায় ওঠ-বস করে। এমন প্রেমিকা থেকেও দূরে থাকা শ্রেয়। তখন প্রেমিকাকে প্রেমিকের কাছে মনে হবে পুতুল। জরুরী কোন মূহুর্তে এরা কোন বুদ্ধি দিয়ে তোমাকে সাহায্য করতে পারে না। জীবন চলার পথে সমস্যা কমানোর থেকে এরা আরও বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা বিশ্লেষণ করে এ ধরনের প্রেমিকা থেকে প্রেমিকদের দূরে থাকার কথা জানালেও একেবারে নিখুঁত প্রেমিকা পাওয়া সম্ভব নয়। তার আগে আপনাকেও নিখুঁত প্রেমিক হতে হবে। প্রবাদে আছে, নিজ ভালো তো জগৎ ভালো। প্রেমিক যদি প্রেমিকাকে প্রপার ভালোবাসা দেয় তাহলে যেকোন প্রেমিকাই সেরা প্রেমিকা হয়ে উঠতে পারে বলেও জানিয়েছেন মনোবিজ্ঞানীরা।
4
ছোটবেলার বান্ধবী নাতাশা দালালের সঙ্গে আজ রোববার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান। তারা বিয়ে করছেন আলিবাগের শাসওয়ানে হ্রদ থেকে হাঁটা দূরত্বের এক রিসোর্টে। মুম্বাই শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই রিসোর্টটি। নাম 'দ্য ম্যানসন হাউস'। তবে বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন এই অভিনেতা। বন্ধুবান্ধবরা বিয়ের আগের রাতে অর্থাৎ শনিবার রাতে একটি ব্যাচেলার পার্টির আয়োজন করেছিলেন বরুণ। দ্যা ম্যানসন হাউস থেকে কয়েক মিনিটের দুরত্বে ছিল সেই পার্টির আয়োজন। সেখানে গাড়ি নিয়েই যাওয়া আসা করছিলেন বরুণ ধাওয়ান ও তার বন্ধুরা। আর এতটুকু পথ পাড়ি দিতে গিয়েই দুর্ঘটনার কবলে পড়েন অভিনেতা। জিনিউজ জানিয়েছে, তবে দুর্ঘটনাটি তেম গুরুতর নয়। গাড়ির সামান্য ক্ষতি হলেও সম্পূর্ণ অক্ষত আছেন হবু বর বরুণ ধাওয়ান। তাই সময়মতোই বিয়ের আসরে পৌঁছাবেন বরুণ ধাওয়ান। এদিকে, রোববার সকাল থেকে শুরু হয়েছে মেহেন্দি উৎসব ও গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান। জানা গেছে, করোনার কারণে বিয়েতে বিশাল লোকসমাগম নয়, কাছের কিছু মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বরুণ।
2
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে আগামীকাল থেকেই মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত 'শর্ত সাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি' মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে করণীয় সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এই ঘোষণা দেন। ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, 'সরকার আগামীকাল থেকে সারাদেশে আটকাদেশ (লকডাউন) ঘোষণা করেছে। মাঠ পর্যায়ে তা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে আমাদের ওপর কিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সেসব দায়িত্ব পালনে আমরা আগামীকাল থেকে মাঠে নামবো।' করপোরশেনের অত্যাবশ্যকীয় কাজগুলো চলমান থাকবে জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, 'যেহেতু সিটি করপোরেশনের সংখ্যাগরিষ্ঠ কাজই অত্যাবশ্যকীয়, সুতরাং, আমাদের কাজ চলমান রাখতে হবে।' বৈঠকে ঢাদসিক'র কাউন্সিলরবৃন্দ অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত থেকে নিজ নিজ করণীয় সম্পর্কে অবগত হন। এই সময় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস কাউন্সিলরদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'আপনারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আমাদের অনেক কাউন্সিলর এরই মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমাদের অনেক কর্মকর্তা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সুতরাং, স্বাস্থ্যবিধি মেনে, দূরত্ব বজায় রেখে আপনারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।' করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে মাঠ পর্যায়ে সরকারের এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, 'আমি ঢাকাবাসীকে অনুরোধ করছি, আমরা সবাই মিলে ধৈর্য্য সহকারে কষ্টের এই সময়টা অতিক্রম করব। এতেই সকলের মঙ্গল নিহিত আছে, সকলের জন্য সুফল বয়ে আনবে, ইনশাআল্লাহ।' বৈঠকে সরকার ঘোষিত শর্ত সাপেক্ষে স্বাভাবিক কার্যাবলি বাস্তবায়নে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা রাখা, শপিং মল বন্ধ রাখার পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়াও আগামীকাল থেকে ঢাদসিক'র আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ সহকারে ঢাদসিক'র ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো মাঠে থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। বৈঠকে ঢাদসিক এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিনসহ করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
6
মারিউপোলে ইউক্রেনের সৈন্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়ে রাশিয়া বলেছে, যারা অস্ত্র সমর্পণ করবে তাদের জীবনের নিশ্চয়তা দেয়া হবে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আগেই বলেছেন, মারিউপোলে ইউক্রেনের যোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করার অর্থ হলো আলোচনার সমাপ্তি টেনে দেয়া। এদিকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার থেকে মারিউপোলে আরও কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে রাশিয়া। অন্যদিকে কিয়েভের মেয়র শহরের নাগরিকদের রাশিয়ার আরও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। একইসঙ্গে যারা শহর ছেড়ে পালিয়েছেন তাদের ফিরে না আসার অনুরোধ করেছেন। রাশিয়া বলছে পশ্চিমা অস্ত্রবাহী ইউক্রেনের একটি সামরিক বিমান তারা ভূপাতিত করেছে। ইউক্রেনের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ওডেশা শহরের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে বিবিসি এটি যাচাই করতে পারেনি। মারিউপোলে জীবন রক্ষার সুযোগ হিসেবে ইউক্রেনের সৈন্যদের আজ রবিবারের মধ্যে আত্মসমর্পণের আহবান জানিয়েছে রাশিয়া। দেশটি বলেছে এ সময়ের মধ্যে অস্ত্র সমর্পণ করলেই কেবল তাদের জীবনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়া হবে। এ জন্য তারা কিয়েভের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদের নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউক্রেনের সৈন্যদের। তারা বলছে ইউক্রেনের যেসব সৈন্য ও বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধারা মারিউপোলে এখনো লড়াই করছে, তারা স্থানীয় সময় সকাল ছয়টা থেকে বেলা একটার মধ্যে তাদের অস্ত্র সমর্পণ করলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। যারা এটা করবে তাদের বন্দী হিসেবে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী আচরণ করা হবে। তবে যারা আত্মসমর্পণ করবে না তাদের বিষয়ে কী হবে সে সম্পর্কে দেশটি তাদের বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করেনি। রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনের সৈন্যদের শহরটির একটি ছোট এলাকায় ঘিরে রাখা হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনে বিমান হামলা আরও জোরদার করেছে। কিয়েভের মেয়র আরও হামলার আশঙ্কায় শহরে না ফিরতে নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন। পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভেও বিস্ফোরণ শোনা যাচ্ছে। তবে সেখানকার কর্মকর্তারা বলছেন যে, তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে চারটি রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। ডি-ইভূ
3
End of preview. Expand in Data Studio

BengaliDocumentClassification

An MTEB dataset
Massive Text Embedding Benchmark

Dataset for News Classification, categorized with 13 domains.

Task category t2c
Domains News, Written
Reference https://aclanthology.org/2023.eacl-main.4

How to evaluate on this task

You can evaluate an embedding model on this dataset using the following code:

import mteb

task = mteb.get_tasks(["BengaliDocumentClassification"])
evaluator = mteb.MTEB(task)

model = mteb.get_model(YOUR_MODEL)
evaluator.run(model)

To learn more about how to run models on mteb task check out the GitHub repitory.

Citation

If you use this dataset, please cite the dataset as well as mteb, as this dataset likely includes additional processing as a part of the MMTEB Contribution.


@inproceedings{akash-etal-2023-shironaam,
  address = {Dubrovnik, Croatia},
  author = {Akash, Abu Ubaida  and
Nayeem, Mir Tafseer  and
Shohan, Faisal Tareque  and
Islam, Tanvir},
  booktitle = {Proceedings of the 17th Conference of the European Chapter of the Association for Computational Linguistics},
  month = may,
  pages = {52--67},
  publisher = {Association for Computational Linguistics},
  title = {Shironaam: {B}engali News Headline Generation using Auxiliary Information},
  url = {https://aclanthology.org/2023.eacl-main.4},
  year = {2023},
}


@article{enevoldsen2025mmtebmassivemultilingualtext,
  title={MMTEB: Massive Multilingual Text Embedding Benchmark},
  author={Kenneth Enevoldsen and Isaac Chung and Imene Kerboua and Márton Kardos and Ashwin Mathur and David Stap and Jay Gala and Wissam Siblini and Dominik Krzemiński and Genta Indra Winata and Saba Sturua and Saiteja Utpala and Mathieu Ciancone and Marion Schaeffer and Gabriel Sequeira and Diganta Misra and Shreeya Dhakal and Jonathan Rystrøm and Roman Solomatin and Ömer Çağatan and Akash Kundu and Martin Bernstorff and Shitao Xiao and Akshita Sukhlecha and Bhavish Pahwa and Rafał Poświata and Kranthi Kiran GV and Shawon Ashraf and Daniel Auras and Björn Plüster and Jan Philipp Harries and Loïc Magne and Isabelle Mohr and Mariya Hendriksen and Dawei Zhu and Hippolyte Gisserot-Boukhlef and Tom Aarsen and Jan Kostkan and Konrad Wojtasik and Taemin Lee and Marek Šuppa and Crystina Zhang and Roberta Rocca and Mohammed Hamdy and Andrianos Michail and John Yang and Manuel Faysse and Aleksei Vatolin and Nandan Thakur and Manan Dey and Dipam Vasani and Pranjal Chitale and Simone Tedeschi and Nguyen Tai and Artem Snegirev and Michael Günther and Mengzhou Xia and Weijia Shi and Xing Han Lù and Jordan Clive and Gayatri Krishnakumar and Anna Maksimova and Silvan Wehrli and Maria Tikhonova and Henil Panchal and Aleksandr Abramov and Malte Ostendorff and Zheng Liu and Simon Clematide and Lester James Miranda and Alena Fenogenova and Guangyu Song and Ruqiya Bin Safi and Wen-Ding Li and Alessia Borghini and Federico Cassano and Hongjin Su and Jimmy Lin and Howard Yen and Lasse Hansen and Sara Hooker and Chenghao Xiao and Vaibhav Adlakha and Orion Weller and Siva Reddy and Niklas Muennighoff},
  publisher = {arXiv},
  journal={arXiv preprint arXiv:2502.13595},
  year={2025},
  url={https://arxiv.org/abs/2502.13595},
  doi = {10.48550/arXiv.2502.13595},
}

@article{muennighoff2022mteb,
  author = {Muennighoff, Niklas and Tazi, Nouamane and Magne, Lo{\"\i}c and Reimers, Nils},
  title = {MTEB: Massive Text Embedding Benchmark},
  publisher = {arXiv},
  journal={arXiv preprint arXiv:2210.07316},
  year = {2022}
  url = {https://arxiv.org/abs/2210.07316},
  doi = {10.48550/ARXIV.2210.07316},
}

Dataset Statistics

Dataset Statistics

The following code contains the descriptive statistics from the task. These can also be obtained using:

import mteb

task = mteb.get_task("BengaliDocumentClassification")

desc_stats = task.metadata.descriptive_stats
{
    "test": {
        "num_samples": 2048,
        "number_of_characters": 3404227,
        "number_texts_intersect_with_train": 4,
        "min_text_length": 161,
        "average_text_length": 1662.22021484375,
        "max_text_length": 14619,
        "unique_text": 2048,
        "unique_labels": 13,
        "labels": {
            "6": {
                "count": 1091
            },
            "3": {
                "count": 284
            },
            "9": {
                "count": 139
            },
            "12": {
                "count": 164
            },
            "1": {
                "count": 37
            },
            "0": {
                "count": 60
            },
            "8": {
                "count": 33
            },
            "4": {
                "count": 59
            },
            "2": {
                "count": 149
            },
            "10": {
                "count": 3
            },
            "11": {
                "count": 10
            },
            "5": {
                "count": 15
            },
            "7": {
                "count": 4
            }
        }
    },
    "train": {
        "num_samples": 220574,
        "number_of_characters": 364935023,
        "number_texts_intersect_with_train": null,
        "min_text_length": 1,
        "average_text_length": 1654.4788733032906,
        "max_text_length": 58089,
        "unique_text": 220301,
        "unique_labels": 13,
        "labels": {
            "6": {
                "count": 117566
            },
            "9": {
                "count": 15018
            },
            "2": {
                "count": 16104
            },
            "1": {
                "count": 4008
            },
            "4": {
                "count": 6356
            },
            "8": {
                "count": 3501
            },
            "0": {
                "count": 6447
            },
            "3": {
                "count": 30558
            },
            "12": {
                "count": 17635
            },
            "10": {
                "count": 269
            },
            "5": {
                "count": 1599
            },
            "11": {
                "count": 1046
            },
            "7": {
                "count": 467
            }
        }
    }
}

This dataset card was automatically generated using MTEB

Downloads last month
8

Papers for mteb/BengaliDocumentClassification